যতনে রতন মিলে। তেমনি, যদি আমরা আমাদের শরীরের তথা স্বাস্থ্যের পর্যাপ্ত যত্ন নিতে পারি, তবে আমরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারবো। আর, সুস্বাস্থ্য আমাদের যেকোনো কাজে সফলতার পরিপূরক। কেননা, এটি আমাদের মনঃসংযোগ ক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট কাজের প্রতি সর্বোত্তম সক্রিয়তা প্রকাশ করতে সহায়তা করে থাকে।
পড়াশোনা অথবা অন্যান্য সৃজনশীল কাজের জন্য স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস এ ইউনিক লাইব্রেরী ডট কম এর পক্ষ থেকে আপনাকে স্বাগতম।
আমরা স্বাস্থ্য বিষয়ক বেশ কিছু টিপস আলোচনা করতে যাচ্ছি কয়েকটি পোস্ট এর মাধ্যমে। আশা করছি, আপনি আমাদের প্রত্যেকটি পোস্ট এর টিপসগুলো পড়ে দেখবেন এবং জানা থাকুক বা না থাকুক, নিজে মানবেন এবং পারিপার্শ্বিক মানুষদের মানতে বলবেন। এতে করে হয়তো আপনার শারীরিক ফিটনেস বাড়তে পারে।
তো! চলুন শুরু করা যাক!
প্রথম টিপসটি আমাদের চোখ নিয়ে।
চোখ এর যত্ন নিয়ে কিছু পরামর্শ রইলো এই টিপসটি তে।
আপনার চোখ মনের কথা বলে। লেখাপড়াটা মাথার কাজ। আর, এ কাজে ছাত্রদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে মস্তিষ্ক। আর মস্তিষ্ক চোখের কাছে ঋণী। কারন, চোখই বেশীরভাগ খবর পৌঁছে দিচ্ছে মাথায়। তার মানে, চোখের ওপর অনেকখানি নির্ভর করছে লেখাপড়া। কাজের চোখের যত্ন নিতে হবে।
![]() |
| লক্ষ্য করুন আমাদের চোখ কিভাবে কাজ করে! |
চোখের যত্ন নেয়ার জন্য যা যা করা উচিতঃ
১। সূর্য ওঠার আগেই ঘুম থেকে জাগার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে, ইসলাম অনুসারীরা, ফজর নামাজ পড়ার অভ্যাস করলে সবচেয়ে ভালো হয়। অন্য ধর্মঅনুসারীরা, তাদের নিজ নিজ সকালের পার্থনা করার অভ্যাস করা উচিত।
২। নিয়মিত মুখ ধোঁয়ার অভ্যাস করতে হবে। যখনি হাত-মুখ ধোবেন, অন্তত দশবারো বার হাল্কা ঠাণ্ডা পানির ঝাঁপটা দিয়ে কপাল আর চোখ দুটোকে ভালো করে ধুয়ে নিবেন।
৩। চোখ ভালো রাখার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত আলোর সুনিশ্চিত ব্যাবস্থা করতে হবে। খুব কম আলোতে অথবা খুব বেশি আলোতে পড়াশোনা বা অন্য কোন কাজ করা উতিত নয়। বিশেষত, যেসব কাজ মস্তিস্কের এবং সূক্ষ্ম, সেগুলো বেশি কিংবা কম আলোতে করা একদমই উচিত নয়।
৪। আর একটানা অনেকক্ষণ পড়াশোনা করলে, কিংবা লেখালেখি করলে একঘণ্টা পর পর, চোখ দুটিকে দুতিন মিনিটের জন্য বিশ্রাম দেয়া উচিত।
তো! এখন থেকেই শুরু হোক স্রষ্টার অপূর্ব দান এবং আমাদের মহামূল্যবান শারীরিক সম্পদ ও সৌন্দর্যের আকর, চোখের পর্যাপ্ত যত্ন। সুস্থ থাকুক চোখ, সুস্থ থাকুক মস্তিষ্ক এবং সুস্থ থাকুন আপনি।





0 comments:
Post a Comment